পুস্টির ডিনামাইট সজিনা গাছ এবং নিউট্রিশন্স সুপার ফুড সজিনার পাতা

0
27

সজিনা গাছ ও সজিনার পাতার গুনাগুন অপরিসীম । এ যে খাবার গুলো আপনার প্রতিদিন এর তালিকায় রাখুন

সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশনাল সুপার ফুড।
★ প্রতি গ্রাম সজনে পাতায়ঃ-
* একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন c রয়েছে।
* দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে।
* গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন a এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান।ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
★ এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রণ বিদ্যমান, যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
★ সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনেও অন্যতম অবদান রাখে।
★ মানুষের শরীরের যে ৯ টি এমাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবগুলোই এই সাজনার মধ্যে বিদ্যমান।
★ এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মত কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।
★ নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
★ এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।
★ শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।
★ এটি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা ১ থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

[the_ad id=”1338″]

★ এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।
★ সাজনাতে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।
★ এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

পানি খান প্রচুর: বাড়িতে থাকলেও প্রচুর পানি খেতেই হবে। কারণ তুমুল আর্দ্রতার কারণে প্রচুর পরিমাণে ঘাম হচ্ছে, আর শরীর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে অমূল্য পানি। সেটা ফিরিয়ে দেয়া আবশ্যক। ডাক্তারের বারণ না থাকলে পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান।

[the_ad id=”1338″]

মশলার ব্যবহার বন্ধ করবেন না: জিরা, ধনিয়া, আদা, মৌরি ব্যবহার করুন প্রতিদিনের রান্নায়। রসুন বাড়ায় প্রতিরোধক্ষমতা, তাই সেটিও বাদ যেন না পড়ে। সকালে উঠে জোয়ান ভেজানো পানি খেয়ে দিন শুরু করতে পারেন। তাতে হজমের সমস্যা এড়ানো যায়।

[the_ad id=”1338″]

ফলসবজির সদ্ব্যবহার করুন: বাজারে যেটুকু ফল বা শাকসবজি পাওয়া যাচ্ছে, সেটুকু কাজে লাগান। রান্না করুন একেবারে হালকা করে, অতিরিক্ত তেল বা ভাজাভুজি এড়িয়ে চলুন। কাঁচা আম, শসা, লাউ, ঝিঙে, পটল, কলমি শাক, পাট শাক পেলে অবশ্যই খান। ভালো করে ধুয়ে তবেই রান্না করুন শাকসবজি।

[the_ad id=”1338″]